৮ম শ্রেণি এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ । ৮ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১ মাধ্যমিক ও শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dshe.gov.bd -তে  প্রকাশিত হয়েছে। ২০২০ সালের মত ২০২১ সালেও  এ্যাসাইনমেন্ট নেওয়ার জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আজকে আমরা অষ্টম শ্রেণি এ্যাসাইনমেন্ট প্রশ্ন ও উত্তর ২০২১ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করব ।

৮ম শ্রেণি এসাইনমেন্ট প্রশ্ন উত্তর ২০২১

করোনা মহামারীর কারণে ৮ম শ্রেণির   শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্ট জমা দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করেই এ সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে। ইতিমধ্যে ৮ম শ্রেণির   শিক্ষার্থীদের জন্য প্রকাশিত হয়েছে ২০২১ সালের ২য় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট।৫ম সপ্তাহের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে বাংলা ও জীবন ও কর্মমূখী শিক্ষা।   আমাদের ওয়েবসাইট খুব সহজেই উত্তরসহ এ্যাসাইনমেন্ট ডাউনলোড করা যাবে।

৮ম শ্রেণির এসাইনমেন্ট সমাধান

মহামারী করোনা সমগ্র বিশ্বকে গ্রাস করেছে।বাংলাদেশের জীবনযাত্রাও স্হবির হয়ে গিয়েছিল । সকল   শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল । এমনকি ২০২১  সালেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব না হওয়ায়  শিক্ষার্থীরা চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটিয়েছে।গত বছর মার্চের পর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়  শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় ব্যাঘাত ঘটেছে। কা্রণ  তাদের স্বাভাবিক শ্রেণী কার্যক্রম পুরো এক বছর বন্ধ ছিল।

৮ম শ্রেণির ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর

ইংরেজী এসাইনমেন্ট উত্তর


সমাধান দেখুন

কৃষি এসাইনমেন্ট উত্তর


গার্হস্থ্য  এসাইনমেন্ট উত্তর


পুর্বের এ্যাসাইনমেন্ট

গণিত এসাইনমেন্ট উত্তর

l

Check Answer 

কৃষি এসাইনমেন্ট উত্তর

রুমির বাবা একজন কৃষি বিজ্ঞানী। তিনি মিষ্টি ও উচ্চফলনশীল আমের একটি জাত উদ্ভাবন করেন যা বারি-৪ নামে মাঠ পর্যায়ে সফলভাবে উৎপাদিত হচ্ছে। গত ১৬ই ডিসেম্বর ২০২০ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁর এই অবদানের জন্য তাঁকে রাষ্ট্রপতি পদক প্রদান করে সম্মানিত করেন। রুমির বাবার এমন সম্মান প্রাপ্তির পিছনে নিম্নলিখিত বিষয়গুলাে তার মনে যে আলােড়ন সৃষ্টি করেছে সে ব্যাপারে তােমার সুচিন্তিত মতামত উল্লেখ কর?

১নং উত্তর : ধান, পাট, গম, আখ , চাষযােগ্য কৈ মাছ , মিষ্টি জাতের আম , মাল্টা ইত্যাদি উদ্ভাবনে কৃষিবিজ্ঞানীদের নিরলস পরিশ্রম ও গবেষণায় অবদান রয়েছে। তাছাড়া বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ৮৮ টি ইনব্রিড। ও ৬ টি উচ্চফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। পরমাণু শক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৮ টি গুরুত্বপূর্ণ। ফসলের মােট ১০৮ টি উচ্চ ফলনশীল জাত উদ্ভাঞ্চন করেছে এবং দেশের কৃষির উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে অবদান রেখে চলছেন ।

২নং উত্তর : আমাদের দেশের বিভিন্ন গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে এসব নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। । কষিতে বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে গবেষণার জন্য। উন্নত দেশের মতাে আমাদের দেশেও বিভিন্ন গবেষণা। ইনস্টিটিউট রয়েছে। এসব ইনস্টিটিউট ও প্রতিষ্ঠানে বিজ্ঞানীরা কৃষির বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযােগ্য অবদান রেখে চলেছেন। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ একটি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ।

যা ১০৩ টিরও বেশি ফসলের কৃষি বিষয়ক গবেষণা | কার্যক্রম পরিচালক্ষ করে । প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের।
জয়দেবপুরে অবস্থিত। বর্তমানে বাংলাদেশের চারটি পূর্ণাঙ্গ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও একটি পূর্ণাঙ্গ ভেটেরিনারি | বিশ্ববিদ্যালয় চালু রয়েছে। প্রায় সকল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কৃষি বিজ্ঞান পড়ানাের পাশাপাশি | শিক্ষকগণ গবেষণা করে থাকেন। তাদের গবেষণায় প্রাপ্ত উন্নত জাত ও উৎপাদন প্রযুক্তি সম্পর্কে কষি। সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও মাঠকর্মীরা কৃষকদেরকে অবহিত করেন।

৩ নং উত্তর : বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে প্রতিকুল ও অপ্রতিকূল পরিবেশ উপযােগী উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন । বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এই পর্যন্ত ১০৬ টি (৯৯ টি ইনব্রিড ও ৭ টি হাইব্রিড) উচ্চ ফলনশীল আধুনিক ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। তম্মধ্যে । বন্যার শেষে ধান চাষের জন্য বিলম্ব জাত হিসেবে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কিরণ ও দিশারি’ নামের দুইটি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে ।


৪ নং উত্তর :  কৃষিবিজ্ঞানীরা ধানছাড়াও অন্যান্য যে যে জাত উদ্ভাবন করেছেন- যা কষকেরা মাঠে চাষাবাদ করে বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তা। | নিচে বর্ণনা করা হল। ফুলের পরাগায়নের সময়। পিতৃগাছের গুণাগুণ যুক্ত হওয়ার সুযােগ থাকে কিন্তু | অঙ্গজ প্রজননে সে আশঙ্কা থাকে না । ফসলের বীজ | ও নতুন নতুন জাত উন্নয়ন , বীজ সংরক্ষণ, রােগ। -বালাইয়ের কারণ সনাক্তকরণ, ফসলের পুষ্টিমান। বাড়ানাে- এ সকল কাজই কৃষিবিজ্ঞানীরা করে থাকেন বিজ্ঞানীদের পরামর্শে কৃষকেরা কলা, আম, লিচু, কমলা , গােলাপ ইত্যাদির উৎপাদনে অঙ্গজ প্রজনন । ব্যবহার করে থাকেন । কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলাে কৃষকরা গ্রহণ করেছেন বলেই উচ্চ ফলনশীল ধান, গম, ভুট্টা, যব এইসব শস্যের উৎপাদনশীলতা আগের তুলনায় অনেক গুন বেড়ে গিয়েছে। কৃষি বিজ্ঞানীরা নানা ধরনের ফুল, ফল , শাকসবজি ও বৃক্ষ বিদেশ থেকে এনে এদেশের কৃষিতে সংযােজন করেছেন। এগুলাের সাথে সংকরায়ন করে দেশীয় পরিবেশ সহনীয় নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন, | যেগুলাে এ দেশের কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ।

৫ নং উত্তর : কৃষিতে বাংলাদেশের সাফল্য ঈর্ষণীয় । কৃষি বাংলাদেশের অর্থনীল্পি অন্যতম চালিকাশক্তি । জীবন জীবিকার পাশাপাশি আমাদের সার্বিক উন্নয়নে কৃষি । ওতপ্রােতভাবে জড়িয়ে আছে। তাই কষির উন্নয়ন মানে | দেশের সার্বিক উন্নয়ন। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ । এদেশে শতকরা ৭৫ ভাগ লােক গ্রামে বাস করে। বাংলাদেশের গ্রাম এলাকায় ৫৯.৮৪% লােকের এবং শহর এলাকায় ১০.৮১ % লােকের কৃষিখামার রয়েছে। মােট দেশজ উৎপাদন তথা জিডিপিতে কৃষিখাতের। অবদান ১৯.১% এবং কৃষিখাতের মাধ্যমে ৪৮.১% , মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে। ধান, পাট, তুলা , আখ, ফুল ও রেশমগুটির চাষসহ বাগান সম্প্রসারণ , মাছ চাষ , সবজি চাষাবাদ ও পােস্টি, ডেইরী ও মৎস্য খামার করে মানুষ দিনকে দিনকে স্বাবলম্বী হয়ে উঠছে। । দেশে পােষ্ট্রি একটি শিল্প হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং বাজারে মাছের একটা বড় অংশ এখন আসছে চাষকৃত মাছ থেকে। দেশ অজি চালে উদ্বৃত্ত; ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ ।

নিবিড় চাষের মাধ্যমে বাংলাদেশ সবজি উৎপাদনে বিশ্বে তৃতীয় অবস্থানে উন্নীত হয়েছে। আলু উৎপাদনে বাংলাদেশ উদ্বৃত্ত এবং বিশ্বে সপ্তম । দেশে ফল উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। আম উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম এবং পেয়ারায় অষ্টম । কৃষি উৎপাদনের এই অগ্রগতি গ্রামীণ মানুষের জীবনধারায় পরিবর্তন এনেছে। উৎপাদনে বৈচিত্র্য বেড়েছে, সেই সাথে প্রতিযােগীতা। বেড়েছে। একই সাথে বেড়েছে পুঁজির ব্যবহার । মাছি, মুরগি ও ডিম উৎপাদন প্রায় শিল্পের পর্যায়ে পৌঁছে গেছে । তাই বলা যায়, এ সমস্ত কৃষিজাত দ্রব্য উৎপাদনের মাধ্যমে বেকার মানুষের কৃষিক্ষেত্রে কর্মসংস্থানের

গার্হস্থ্য  এসাইনমেন্ট উত্তর

বর্তমান কোভিড-১৯। পরিস্থিতিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তুমি সারাদিন বাসায় অবস্থান করছাে। সময় তালিকা | প্রণয়ন করে লেখা-পড়া ও অন্যান্য কাজ-কর্ম করা উচিত। তাই এ পরিস্থিতিতে তােমার দৈনন্দিন কাজকর্ম কীভাবে করছ ?

সময়ের চেয়ে জীবনের মূল্য অনেক বেশী। অপর দিকে জীবনকে সুন্দর ভাবে সাজাতে সময়ের প্রয়ােজন অনস্বীকার্য। মানুষের জীবনে সময় এমনই এক সম্পদ, যা সবার জন্য সমান এবং একেবারেই সীমিত। এই সীমিত সম্পদের মধ্যে যে ব্যক্তি যত বেশি অর্থবহ কাজ দিয়ে নিজেকে সময়ের সাথে সম্পৃক্ত করতে পারবে, জীবনে সে ততাে বেশি সফলকাম হবে। সময়কে যথাযথভাবে ব্যবহার করে মানুষ ব্যক্তিগত, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।
প্রতিদিন আমাদের জন্য ২৪ ঘন্টা সময় বরাদ্দ রয়েছে। কোন অবস্থাতেই একে বাড়ানাে সম্ভব নয়। অথচ চাহিদা অনুযায়ী আমাদের অনেক কাজ। করার থাকে । সে কারণেই সময়ের সদ্ব্যবহার এর প্রতি বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। আমাদের উদ্দেশ্য হবে কম সময় ব্যয় করে বেশি কাজ করা এবং সময়ের অপচয় না করা। আর সেজন্যই আমাদের সময়ের পরিকল্পনা করা প্রযােজন। একদিনে আমরা কি কাজ করব , কখন করব , নির্দিষ্ট কাজে দেয়। কতটুকু সময় ব্যয় করবাে ইত্যাদির সমন্বয়ে একটি লিখিত পরিকল্পনা বা সময়-তালিকা প্রণয়ন করা হয়।
আমার সারাদিনের কর্মকাণ্ডের জন্য একটি সময় তালিকা প্রণয়ন করা হলােঃ

সকাল 

৫:০০ টায় – ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।

৫:২০ টায় – প্রার্থনা করা।

৫:৪০ টায় – হালকা নাস্তা করা।

৬:০০ টায় – শরীরচর্চা করা।

৬:৩০ টায় – পড়তে বসা (গণিত, বিজ্ঞান পড়া )

৮:৩০ টায় – সকালের নাস্তা করা

৯:৩০ টায় – ঘরের কাজে সহায়তা করা, ঘর গােছানাে।

১০:৩০ টায় – গাছ-গাছড়ার পরিচর্যা করা, গাছে পানি দেয়া।

১১:৩০ টায় – গােসল করা।

দুপুর

১২:০০ টায় – দুপুরের খাবার খাওয়া।

১২:৩০ টায় – বিশ্রাম নেয়া।

১:০০ টায় – প্রার্থনা করা।

১:৩০ টায় – বিশ্রাম ( ঘুমানাে

৩:৩০ টায় – পড়তে বসা (ইংরেজি)।

বিকাল ৪:৩০ টায় – প্রার্থনা করা।

৫:০০ টায় – খেলাধুলা করা।

সন্ধ্যা

৬:০০ টায় – প্রার্থনা করা।

৬:২০ টায় – হালকা নাস্তা করা।

রাত
৬:৩০ টায় – পড়তে বসা ( বাংলা, বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় )।

৮:৩০ টায় – প্রার্থনা করা।

৯:০০ টায় – রাতের খাবার খাওয়া।

৯:৩০ টায় – পড়তে বসা ( বাকি বিষয়গুলো)

১০:৩০ টায় – টেলিভিশন দেখা। | ১১:৩০ টায় – ঘুমাতে যাওয়া। ছয়

সারাদিনের কর্মকাণ্ডের সময় তালিকা প্রণয়ন এর প্রয়ােজনীয়তা ও বিবেচ্য বিষয় সময় তালিকার প্রয়ােজনীয়তাঃ

১) করণীয় কাজ সম্পর্কে ধারণা হয়। কোন কাজগুলাে বেশি এবং কোন | কাজগুলাে কম প্রযােজনীয় সে সম্বন্ধে সঠিক ধারণা লাভ করা যায়।

২) সময়মতাে কাজ করার অভ্যাস গড়ে উঠে। কাজের সময় নির্ধারিত
থাকে বলে সময়ের কাজ সময়ে করার অভ্যাস গড়ে ওঠে।

৩) প্রতিটা কাজে কতটুকু সময় ব্যয় হয় তার ধারণা জন্মে।

৪) কাজের দক্ষতা ও গতিশীলতা বাড়ে। সময় তালিকা অনুসরণ করলে সময় মত কাজ শেষ হয়ে যায়। বাড়তি সময়ে বিভিন্ন রকম সৃজনশীল। কাজের সুযােগ পাওয়া যায়।

৫) বিশ্রাম, অবসর ও বিনােদন করা সম্ভব হয়। কারণ, সময় তালিকায় কাজ, বিশ্রাম ও অবসর বিনােদনের ব্যবস্থা থাকে।

ছােটবেলা থেকেই আমাদের সবারই সময়ের প্রতি যত্নবান হওয়া দরকার। সময় মতাে সব কাজ করলে কাজ জমে যায় না। ফলে প্রয়ােজনীয় কাজগুলাে সহজেই সম্পন্ন করা যায়। যেমন- ছাত্রছাত্রীরা যদি প্রতিদিনের | পড়ালেখা সময়মত সম্পন্ন করে, তাহলে সে খুব সহজে কৃতকার্য হতে | পারবে। আর যে সময় মত পড়ালেখা করে না, পরীক্ষার সময় পড়া তার
কাছে বােঝা মনে হবে । সময় মত পড়ালেখা না করার জন্য তখন এই  সমস্যা তৈরি হবে।

সময় তালিকা করার সময় কিছু বিষয় বিবেচনায় আনতে হয় যেমনঃ

১) দৈনিক করণীয় কাজ গুলাে নির্ধারণ করতে হবে গুরুত্ব অনুসারে কাজের অগ্রাধিকার দিতে হবে।

২) যৌথভাবে কাজ করতে হলে অন্যের সুবিধা-অসুবিধার দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

৩) সময় তালিকায় কাজের সময় বিশ্রাম ও অবসর সময় রাখতে হবে।

৪) একটা কঠিন বা ভারী কাজের পর হালকা কাজ বা বিশ্রাম দিতে হবে।

আমরা এখানে চেষ্টা করেছি অ্যাসাইনমেন্টের  প্রতিটি বিষয়ের জন্য ধাপে ধাপে সহজভাবে আলোচনা করতে এবং এটাতে আশা করি আমরা সফল ও হয়েছি  সুতরাং আপনি আমাদের এখান থেকে আপনার ক্লাসের সমস্ত বিষয়ের অ্যাসাইনমেন্টের

উত্তর সংগ্রহ করতে পারেন। তারপরে আপনি নিজে আপনার ইচ্ছা অনুযায়ী আপনার কার্যভারের উত্তরগুলি ডাউনলোড করুন আমাদের ওয়েবসাইটে আসার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *